রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৮ এ.এম, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
আলমডাঙ্গায় পেঁয়াজ সংরক্ষণে আধুনিক ‘এয়ার ফ্লো’ মেশিন ও নগদ অর্থ বিতরণ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় পেঁয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি উৎপাদিত পেঁয়াজ দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণের জন্য এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ আলমডাঙ্গায় পেঁয়াজ সংরক্ষণে আধুনিক ‘এয়ার ফ্লো’ মেশিন ও নগদ অর্থ বিতরণ

নিউজ ডেস্ক: 

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় পেঁয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি উৎপাদিত পেঁয়াজ দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণের জন্য কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির এক বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে উপজেলার ২০ জন নির্বাচিত কৃষকের মাঝে অত্যাধুনিক এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। একই সাথে, পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য উপযোগী ঘর তৈরি ও পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রত্যেক কৃষককে ২৮ হাজার টাকা করে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ‘কৃষিই সমৃদ্ধি’ স্লোগানকে সামনে রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতের আওতায় এই প্রণোদনা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে মেশিন ও নগদ অর্থ তুলে দেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনুর আক্তার। আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আজিজুর রহমান পিন্টু এবং আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ বশিরুল আলম। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গায় পেঁয়াজের আবাদ সম্প্রসারণে কৃষকদের ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকেরা প্রায় ৩৫০ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের বীজতলা তৈরি করেছেন, যার মধ্যে ইতিমধ্যে প্রায় ৭০ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কৃষকেরা জানান, পেঁয়াজ উৎপাদনের পর তা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করাই ছিল তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। উপযুক্ত পরিবেশ ও আধুনিক প্রযুক্তির অভাবে প্রতি বছরই ঘরে তোলা পেঁয়াজের একটি বড় অংশ পচে নষ্ট হয়ে যেত। তবে জনতা ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সরবরাহকৃত এই আধুনিক এয়ার ফ্লো প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে সংরক্ষণাগারে প্রয়োজনীয় বায়ু চলাচল নিশ্চিত হবে, যা পেঁয়াজের পচন ও সংরক্ষণ-পরবর্তী ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনবে। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, এই উদ্যোগের ফলে কৃষকরা পেঁয়াজ তোলার পরপরই বাজারে কম দামে তা বিক্রি করতে বাধ্য হবেন না। দীর্ঘদিন পেঁয়াজ ভালো রেখে পরবর্তীতে বাজারে সঠিক দামে বিক্রি করার সুযোগ তৈরি হবে। এতে যেমন কৃষকের আয় বাড়বে, ঠিক তেমনি মৌসুমের বাইরেও বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে—যা দেশের পেঁয়াজ আমদানিনির্ভরতা কমাতেও বড় ভূমিকা রাখবে। উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে এই কার্যক্রমটিকে একটি সময়োপযোগী ও কৃষকবান্ধব পদক্ষেপ হিসেবে সাধুবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সকলে।

  • শেয়ার করুন:
এই বিভাগের আরও খবর
পাঠকের মন্তব্য
  • এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করুন
সর্বশেষ খবর
Make Your Business Digital
10%
OFF
Domain only
1650 TK
5GB NVME Hosting
2500 TK
High Speed Website with High Security
Call : 01631101031
SPACE FOR ADD
200 x 350
SPACE FOR ADD
200 x 350