রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩২ এ.এম, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
চীন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরিয়ে দিতে চায় খালিদ আল-জাবের চীন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরিয়ে দিতে চায়
  • মতামত
  • abc editor - ২৩ সেপ্টেম্বর, ০৩:০৩ এ.এম ২৪

চলতি বছর চীনের কূটনৈতিক দিনপঞ্জির দিকে তাকালেই তাদের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক প্রভাবের চিত্রটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা, স্পেন, দক্ষিণ কোরিয়া, পাকিস্তান, জর্ডানসহ বিশ্বের প্রভাবশালী অনেক দেশের শীর্ষ নেতারাই বেইজিং সফর করেছেন।

সম্প্রতি কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জাসিম আল থানি বেইজিং সফর করেন। এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলও চীন সফর করেছে। এসব সফর মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে বেইজিংয়ের প্রভাব ও পরিধি বৃদ্ধির বিষয়টিই নিশ্চিত করে।


ঐতিহাসিকভাবে অঞ্চলটি সব সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মিত্রতা বজায় রেখে চলেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই পরাশক্তির মধ্যে এই অঞ্চলে প্রতিযোগিতা বাড়তে দেখা যাচ্ছে। প্রতিযোগিতা বাড়ার অর্থ এই নয় যে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ প্রতিস্থাপিত করতে চাইছে। বেইজিং মূলত বাণিজ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর অংশীদারত্বের মাধ্যমে এগোচ্ছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর নিজস্ব অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক স্বার্থের সঙ্গে একদম মানানসই।

চীন কি মার্কিন মডেল অনুসরণ করতে চায়

উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্ব এখনো সবচেয়ে বেশি, বিশেষ করে সামরিক দিক থেকে। ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব, গোয়েন্দা তথ্যের আদান-প্রদান, অস্ত্র সরবরাহ, নৌশক্তি এবং সামরিক উপস্থিতি এই অঞ্চলের নিরাপত্তার মূল স্তম্ভ হিসেবে রয়ে গেছে।


দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক শক্তির মাপকাঠিতে চীনের সঙ্গে নিজের ক্ষমতার তুলনা করে আসছে। সে হিসেবে দেখলে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাওয়া চীনের জন্য এখনো সুদূরপরাহত। তবে কৌশলী সাফল্যের পরিমাপের জন্য এটি ভুল মাপকাঠি।

উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মতো সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে চীনের বিশেষ আগ্রহ দেখা যায়নি। কারণ, এ অঞ্চলে ওয়াশিংটন যে নিরাপত্তাবলয় তৈরি করে রেখেছে, চীন মূলত তার প্রত্যক্ষ সুবিধা ভোগ করেছে।

কয়েক দশক ধরে মার্কিন নৌবাহিনী যে সমুদ্রপথ সুরক্ষিত রেখেছে, সেই পথ দিয়েই উপসাগরীয় জ্বালানি এশিয়ার বাজারে পৌঁছেছে। মার্কিন সামরিক শক্তির ফলে এই অঞ্চলে যে স্থিতিশীলতা বজায় ছিল, তারই সুযোগ নিয়ে চীনা কোম্পানিগুলো নিশ্চিন্তে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো নির্মাণ ও জ্বালানি কেনাবেচা করতে পেরেছে।

  • শেয়ার করুন:
এই বিভাগের আরও খবর
পাঠকের মন্তব্য
  • এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করুন
সর্বশেষ খবর
Make Your Business Digital
10%
OFF
Domain only
1650 TK
5GB NVME Hosting
2500 TK
High Speed Website with High Security
Call : 01631101031
SPACE FOR ADD
200 x 350
SPACE FOR ADD
200 x 350