রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২২ এ.এম, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
এক দশকেই মানবশূন্য বিশ্ব? এআই নিয়ে গবেষকের ভয়াবহ সতর্কবার্তা এআই আগামী এক দশকের মধ্যেই মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জ্যাকব কক্সন। এক দশকেই মানবশূন্য বিশ্ব? এআই নিয়ে গবেষকের ভয়াবহ সতর্কবার্তা
  • প্রযুক্তি
    ট্যাগস : এআই
  • abc editor - ২৩ সেপ্টেম্বর, ০২:৩৯ এ.এম ৪৮

স্রষ্টাকে ছাপিয়ে সৃষ্টি—বিজ্ঞান কল্পকাহিনির এমন ধারণা এবার বাস্তবের আশঙ্কা হয়ে সামনে এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আগামী এক দশকের মধ্যেই মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিক থেকে সদ্য পদত্যাগ করা গবেষক জ্যাকব কক্সন। তাঁর দাবি, এআইয়ের অগ্রযাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এক দশকের মধ্যেই পৃথিবী মানবশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্যাকব লিখেছেন, ‘এক দশকেই এই পৃথিবীকে মানবশূন্য করে দেবে এআই। আমাদের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলো।


জ্যাকবের এ আশঙ্কাকে সমর্থন করেছেন অ্যানথ্রোপিকের অ্যালাইনমেন্ট সায়েন্সেস লিড ইভান হুবিংগার। তিনি লিখেছেন, ‘জ্যাকব সঠিক কথা বলেছেন। আগামী দশকে মানুষকে শেষ করে দেবে এআই। ১০ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা রয়েছে।


জ্যাকব এর আগে ওপেনএআইয়ে কাজ করেছেন। অ্যানথ্রোপিক থেকে পদত্যাগের পর তিনি এআই নিয়ে গবেষণারত বিশ্বের দুই শীর্ষ প্রতিষ্ঠানকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তারাও সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে অবগত। কিন্তু সুপার ইন্টেলিজেন্স তৈরির প্রতিযোগিতায় তারা যথেষ্ট দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছেন না।


সম্প্রতি অ্যানথ্রোপিকের তৈরি ‘ক্লড’ মডেলের সক্ষমতা পরীক্ষা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়। সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় মডেলটি তৃতীয় পক্ষের একটি মাধ্যম ব্যবহার করে ইন্টারনেটে প্রবেশ এবং কয়েকটি ওয়েবসাইটের সিস্টেমে হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করেছিল বলে দাবি করা হয়। ঘটনাটি এআইয়ের স্বায়ত্তশাসিত কর্মকাণ্ডের ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।


বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে মানুষের সরাসরি নির্দেশনা ছাড়াই এআই যদি কোড লেখা, পরিবর্তন ও নিজেদের সক্ষমতা উন্নত করার মতো কাজ করতে পারে, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধের পাশাপাশি পারমাণবিক ও জৈবপ্রযুক্তির মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রেও এর অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে।


এ ক্ষেত্রে আলোচনায় আসছে এজিআই বা আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স। মানুষের মতো বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তি, চিন্তা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা অর্জনকারী এআইয়ের এই পর্যায়কে ঘিরেই সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ রয়েছে প্রযুক্তিবিদদের মধ্যে। তাদের আশঙ্কা, যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়া এমন প্রযুক্তি তৈরি হলে ডিপফেক ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের মতো বর্তমান ঝুঁকি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এমনকি সাইবার হামলা, জৈব মারণাস্ত্র তৈরির মতো ক্ষেত্রেও এর অপব্যবহার হতে পারে।


তবে এআইয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় দ্রুত আইন প্রণয়নের পক্ষে মত দিয়েছেন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য টেড লিউ। তাঁর মতে, নীতি প্রণয়নে আর সময় নষ্ট না করে অবিলম্বে আইন করা প্রয়োজন। এ জন্য তিনি ‘এআই কিল-সুইচ অ্যাক্ট’ নামে আইন প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছেন।

  • শেয়ার করুন:
এই বিভাগের আরও খবর
পাঠকের মন্তব্য
  • এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করুন
সর্বশেষ খবর
Make Your Business Digital
10%
OFF
Domain only
1650 TK
5GB NVME Hosting
2500 TK
High Speed Website with High Security
Call : 01631101031
SPACE FOR ADD
200 x 350
SPACE FOR ADD
200 x 350